সর্বকালের সেরা ১০ বাংলাদেশী ছবি!

যুক্তরাজ্যভিত্তিক চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও দাতব্য সংস্থা ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নিয়ে একটি সেরা ১০ চলচ্চিত্রের তালিকা তৈরি করেছিলো ২০০২ সালে দর্শক ও সমালোচকদের ভোটের মাধ্যমে। সেরা ১০ সেসব চলচ্চিত্রগুলো সম্পর্কে লেখাটিতে আলোচনা করা হলো।

১) তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩)

ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউট-এর জরিপ  করা সেরা ১০ বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের তালিকার এক নম্বর ছবি এটি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ওপার বাংলার কিংবদন্তি পরিচালক ঋত্বিক ঘটক যার জন্ম পুরান ঢাকার ঋষিকেশ দাস লেনে। ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পরে তাঁর পরিবার কলকাতায় চলে যায়। বাংলাদেশ ছেড়ে গেলেও দেশভাগের বেদনা কখনো ভুলতে পারেননি তিনি। তাই তার সবগুলো সৃষ্টিকর্মেই দেখা গিয়েছে এসেছে দুই বাংলা আলাদা হওয়ায় বাস্তুহারা মানুষের অসহনীয় কষ্টের দৃশ্য। বাঙালি ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস তিতাস একটি নদীর নাম অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র উপযোগী করে নির্মিত হয়েছে আলোচিত এ ছবিটি। এতে অভিনয় করেছেন ফকরুল হাসান বৈরাগী, নারায়ণ চক্রবর্তী, কবরী চৌধুরী, রওশন জামিল, প্রবীর মিত্র, গোলাম মুস্তাফা, রোজী সামাদ ও রানী সরকার সহ অনেকে।

ছবির গল্পে দেখা যায়, কাছের একটি গ্রামে গিয়ে কিশোর নামের এক জেলের নাটকীয়ভাবে এক তরুণী মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের রাতে নৌকা থেকে কিশোরের তরুণী বউকে ডাকাতরা তুলে নিয়ে যায়। কোন এক সময়ে সুযোগ বুঝে তরুণীটি ডাকাতদলের নৌকা থেকে ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে বাঁচায় এবং কাছের একটি গ্রামে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তবে স্বামীর সম্পর্কে কিছুই না জানা তরুণীটি কেবলমাত্র তার স্বামীর গ্রামের নাম বলতে পারে। পরের বছর কিশোরীটির গর্ভে জন্ম নেয় তাদের সন্তান। বছর দশেক পর স্বামী সন্ধানে মেয়েটি তার সন্তানকে নিয়ে তার স্বামীর গ্রামে পাড়ি জমায় তাকে খুঁজতে। সেখানে মেয়েটির সাথে পরিচয় হয় বাসন্তী নামে এক বিধবার সাথে। এভাবেই গল্প এগিয়ে যায়। ছবিতে পরিচালক ঋত্বিক ঘটককেও মাঝি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সাক্ষী হতে হলে আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে হাবিবুর রহমান খান প্রযোজিত এই ছবিটি।

২) চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯)

চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট ১৯৪৭ সাল, স্থান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের ছোট্ট জেলা নড়াইল। শশীভূষণ সেনগুপ্ত নামের এক উকিল (মমতাজউদ্দিন আহমেদ) থাকতেন তার বিধবা বোন অনুপ্রভা (রওশন জামিল) এবং দুটি ছোট ছেলে-মেয়ে মিনতি ও বিদ্যুৎকে নিয়ে। বাড়ির পাশেই বয়ে চলা নদী চিত্রা। সময়টাতে পূর্ব পাকিস্থান থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন দেশ ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। এ অবস্থায় শশীভূষণের উপরেও দেশত্যাগের চাপ আসতে শুরু করে, কিন্তু তিনি বাপ-দাদার ভিটা ছেড়ে পরদেশে পাড়ি না জমানোর সিন্ধান্তে অনড়। হিন্দু মুসলিমের দাঙ্গায় অবশেষে কে জয়ী হয়, উত্তর মিলবে এই ছবিতে। বাংলাদেশর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল তার সুনিপুন হাতে নির্মাণ করেছেন এ ছবিটি।

প্রতিমা বিসর্জন, মুড়ির টিন বাস, মার্শাল’ল বিরোধী  আন্দোলনের প্ল্যাকার্ড, উত্তম-সুচিত্রার ছবির রিকশাযোগে প্রচারণা, চিত্রা নদীর বুকে পালতোলা নৌকা এসব কিছুই আমাদেরকে দেশ বিভাগের পরের তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রধান চরিত্র সমূহে স্বভাবজাত পাগলাটে ধাঁচের মঞ্চ কাঁপানো অভিনেতা মমতাজউদ্দিন আহমেদের নির্লিপ্ত অভিনয় ছিল দেখার মত। সাথে এক পশলা বৃষ্টির মত ছবিতে স্নিগ্ধতা ছড়াবে তৌকীর আহমেদ এবং বিশেষত আফসানা মিমি। ছবিটি নিশ্চিতভাবে আপনাকে ঘুরিয়ে আনবে দেশভাগের সময়কালের তৎকালীন বাংলাদেশ থেকে।

৩) নদীর নাম মধুমতি (১৯৯৪)

পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল নির্মিত আরেকটি সুনির্মিত সিনেমা ‘নদীর নাম মধুমতি’ যা মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। ছবিটির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, আলী যাকের, রাইসুল ইসলাম আসাদ, সারা জাকের, আফসানা মিমি প্রমুখ। মধুমতী নদীর পারের এক গ্রামের গল্পে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। ছবির কাহিনীতে দেখা যায় স্থানীয় মুসলিম লীগ নেতা মোতালেব মোল্লাকে যে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে বিয়ে করে। সেই স্ত্রীর প্রথম ঘরের সন্তান বাচ্চু ১৯৭১ এ যুদ্ধ শুরু হলে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়। ওদিকে মোতালেব যোগ দেয় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীতে। ছবিতে বাবা ও সৎ ছেলের এই দ্বন্দ্ব-দ্বৈরথের কাহিনী দেখানো হয়েছে। ছবিটির কাহিনী ও সংলাপের জন্য তানভীর মোকাম্মেল শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিভাগে এবং সাইদুর রহমান বয়াতি শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সৈয়দ শাবাব আলী আরজু।

৪) সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭)

বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবিরের নাম আপনারা অনেকেই শুনে থাকবেন । প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের মাধ্যমে যার পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু। স্বাধীনতার পরে তিনি পূর্র্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। ১৯৭৭ সালে নির্মিত ‘সীমানা পেরিয়ে’ আলমগীর কবির নির্মিত অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র। ১৯৭০ সালে এদেশে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জলোচ্ছাসের পর বরিশালের একটি চরে একজোড়া মানব মানবীকে আদিম পরিস্থিতিতে কোন রকমে বেঁচে থাকতে দেখা গিয়েছিলো। এ ঘটনাটি উক্ত চলচ্চিত্রের উপজীব্য বিষয়। তবে আর্ট ঘরানার সফল এ পরিচালক নিজেই ছবিটি সর্ম্পকে জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী পুঁজির চাপে ছবিটির বক্তব্য ও গতি কিছুটা ছিন্নভিন্ন। ছবিটির মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ ও জয়শ্রী কবির। ছবিটির সাথে সম্বন্ধযুক্ত একটি তথ্য দিয়ে রাখি।

সত্যজিত রায়ের ছবি প্রতিদ্বন্দ্বী দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা অভিনেত্রী জয়শ্রী রায় (পূর্বতন নাম) সূর্যকন্যা নামের ছবিতে অভিনয়ের জন্য এদেশে আসেন এবং পরে পরিচালক আলমগীর কবিরের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এদেশে থেকে যান। ভূপেন হাজারিকা এবং আবিদা সুলতানার কন্ঠে গাওয়া ছবিটির গান বিমূর্ত এই রাত্রি আমার কিংবা মেঘ থম থম করে গানগুলো এখনো আগের মতই জনপ্রিয়।

৫) বেদের মেয়ে জোসনা (১৯৮৯)

এই চলচ্চিত্রটির নাম শোনেননি এমন লোকের বাংলাদেশে জুড়ি মেলা ভার। “বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে, আসি আসি বলে জোসনা ফাঁকি দিয়েছে”, বাংলার গ্রামে গঞ্জে শহরের প্রান্তে ছবি মুক্তির কয়েক দশক বারংবার উচ্চারিত হয়েছে এ গানটি। পরিচালক তোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত বেদের মেয়ে জোসনা ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৯ সালে। চলচ্চিত্রটিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন অঞ্জু ঘোষ এবং ইলিয়াস কাঞ্চন। ছবিটিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল ছায়াছবির তকমা দেয়া হয়।

বঙ্গরাজের এক পরগনার কাজী সাহেবের একমাত্র ভাগ্যতাড়িত মেয়ে জোসনা যে সময়ের পরিক্রমায় বেদেনী হয়ে যায় এবং রাজকুমার আনোয়ারের প্রেমগাথা এই ছবিটি। বাংলাদেশে বেদের মেয়ে জোসনার সফলতার ধারাবাহিকতায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও একে পুননির্মাণ করে মুক্তি দেওয়া হয় যার মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন অঞ্জু ঘোষ ও চিরঞ্জীত।

৬) সূর্য দীঘল বাড়ী (১৯৭৯)

বিশিষ্ট গ্রন্থকার আবু ইসহাক ১৯৫৫ সালে প্রকাশ করেছিলেন কালজয়ী উপন্যাস যার নাম ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’। ১৯৭৯ সালে এই কাহিনী অবলম্বনে একই নামে নির্মিত হয় চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেন যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। এটি চিত্রগ্রহণ করেন বরেণ্য আলোকচিত্র-চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেন। বাংলা ১৩৫০ সনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অবিভক্ত ভারতের বাংলায় পঞ্চাশের আকাল’ নামের যে দুর্ভিক্ষ শুরু হয় তাতে স্বামী পরিত্যক্ত জয়গুনের জীবনসংগ্রামের গল্প ফুটে উঠেছে এ চলচ্চিত্রে। ছবিটিতে অভিনয় করেন ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, এটিএম শামসুজ্জামান, সৈয়দ হাসান ইমাম, ফখরুল হাসান বৈরাগী, তখনকার শিশুশিল্পী ইলোরা গহর সহ অনেকে। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলাউদ্দিন আলী। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও পরিচালক সহ মোট আটটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে সূর্য দীঘল বাড়ী ছবিটি । এটিই বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদান প্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

৭) ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩)

গুণী পরিচালক আলমগীর কবির নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’ যা মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে। প্রাথমিকভাবে চলচ্চিত্রটির মূল পরিকল্পনা করেছিলেন নির্মাতা জহির রায়হান তবে পরে ছবিটি নির্মান করেন আলমগীর কবির । বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মুস্তাফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ খান প্রমুখ। ছবিটির গান রচনা করেছেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং সুর করেছেন সমর দাস। এর সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সত্য সাহা। ছবিতে ব্যবহৃত গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।

৮) রুপালী সৈকতে (১৯৭৯)

১৯৭৯ সালে মুক্তি পাওয়া রুপালী সৈকতে চলচ্চিত্রটিকে পরিচালক আলমগীর কবীরের জীবনের অন্যতম সেরা কাজ বলে অভিহিত করেন বিশিষ্টজনেরা। শোনা যায়, চলচ্চিত্রটিতে পরিচালকের নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছিলো। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ, জয়শ্রী কবীর, আনোয়ার হোসেন, শর্মিলী আহমেদ, অঞ্জনা রহমান সহ আরো অনেকে। ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউটের তালিকায় বাংলাদেশের সেরা ১০ ছবির তালিকার অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে ছবিটি। রূপালী সৈকতে চলচ্চিত্রটি আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনামলে কারাবরণকারী অগনিত দেশপ্রেমিককে উৎসর্গ করা হয়।

৯) শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯)

ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের এই তালিকায় জনপ্রিয় উপন্যাসিক-চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত একটি চলচ্চিত্র রয়েছে। শ্রাবণ মেঘের দিন নামের ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেন জাহিদ হাসান, শাওন, মাহফুজ আহমেদ, আনোয়ারা, মুক্তি, গোলাম মোস্তফা, সালেহ আহমেদ এবং ডাঃ এজাজ। গ্রাম্য গাতক মতি, গ্রামের মেয়ে কুসুম, গ্রামের জমিদারের নাতনি শাহানা  এবং কুসুমের পানিপ্রার্থী সুরুজের মধ্যকার চতুর্ভুজ প্রেমের গল্প ফুটে উঠেছে ছবিটিতে।

শ্রাবণ মেঘের দিনে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ, গায়কদের গানের আসর, গায়ে হলুদের গান ইত্যাদির মাধ্যমে পরিচালক বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেন মকসুদ জামিল মিন্টু। গায়ক বারী সিদ্দিকীর কণ্ঠে গাওয়া শুয়া চান পাখি গানটি সেসময়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। ছবিটি ২৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে সাতটি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়।

১০) সাত ভাই চম্পা (১৯৬৮)

১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে মুক্তিপ্রাপ্ত সংগীতবহুল চলচ্চিত্র ‘সাত ভাই চম্পা’। বাংলার একটি জনপ্রিয় রূপকথার গল্প অবলম্বনে নির্মিত ব্যবসাসফল এ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন দীলিপ সোম এবং এর চিত্রনাট্য-সংলাপ লেখেন খান আতাউর রহমান। চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠাংশে রয়েছেন আজিম, কবরী, আনোয়ার হোসেন, খান আতাউর রহমান ও রবিউল। চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আমির আলি। এতে ব্যবহৃত হয়েছে প্রায় ১৫টির মত গান।

লেখকের অনুমতি ছাড়া সাইটে ব্যবহৃত সকল প্রকার লেখা পুনঃপ্রকাশ বেআইনি। জরুরী যোগাযোগে ইমেইলঃ altamishnabil@gmail.com

আরো পড়ুন...