‘বাংলাদেশ ইয়ুথ স্কিল ফেস্ট’ ভার্চুয়ালি সম্পন্ন

বিশ্বব্যাপী তরুণদের কর্মসংস্থান, কাজের সুযোগ সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে -২০১৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ১৫ জুলাইকে ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ স্কিলস ডে হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এবারের ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ স্কিলস ডে উদযাপনের অংশ হিসেবে ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ আয়োজন করে বাংলাদেশ ইয়ুথ স্কিল ফেস্ট-২০২১। আয়োজনের ব্যাপ্তির দিক দিয়ে এটি ছিল দিবসে এ বছর আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভার্চুয়াল ফেস্টিভাল।

গত ১৫ এবং ১৬ জুলাই ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয় এই আয়োজন। আয়োজনটির ওয়েবিনার সিরিজগুলোতে যোগদান করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ বক্তারা। যারা মূলত আলোচনা করেছেন তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধির নানা দিকগুলো নিয়ে।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন সহযোগী হিসেবে ছিলো বাংলাদেশ প্রগ্রেসিভ উইমেন সোসাইটি, ইয়ুথ হাব, জেসিআই ঢাকা ওয়েস্ট, ইয়ুথ ইন ডিজিটাল অ্যাওয়ারনেস, বাংলাদেশ পজেটিভ ফাউন্ডেশন, বিগ ভেনচারস, ফ্রিপ্রিনিউয়ার এবং নিউজ ৩৬০ বিডিডটকম। এছাড়াও আয়োজনটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল আইসিটি ডিভিশন, এলআইসিটি প্রজেক্ট, দুর্বার এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই ফেস্টিভালে সর্বমোট সাতটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেগুলো পরিচালনায় ছিলেন ইমরান ফাহাদ, সুমাইয়া জামান, পাভেল সারওয়ার, মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল, স্বাধীন খান মোহাম্মাদ নকিব, জামিল আহমেদ এবং রবিউল ইসলাম রবি।

১৫ জুলাই সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘তরুণদের এগিয়ে যেতে দক্ষতাবৃদ্ধির বিকল্প নেই। এই দক্ষতা শুধুমাত্র অল্প কিছু খাতে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এটিকে ছড়িয়ে দিয়ে হবে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় অন্যান্য খাতেও। জাতিসংঘ ঘোষিত ওয়ার্ল্ড স্কিলস দিবসে ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ আয়োজিত এই কার্যক্রমটি সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নওকি, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আজিম উদ্দিন আহমেদ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম, স্ট্যান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংক মালয়েশিয়ার সিওও আরশাদুল হাসান, হালিমা গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল কালাম হাসান টগর এবং ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদ।

ফেস্টটি সমাপ্ত হয় মহামারি পরবর্তী সময়ে তরুণদের করণীয় শীর্ষক ওয়েবিনারের মাধ্যমে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বোল্ডের প্রেসিডেন্ট কাজী এম আহমেদ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী, কাজি আইটি’র কান্ট্রি ম্যানেজার জারা মাহবুব, ইউনিয়ন ব্যাংকের ডিরেক্টর আশিক আহমেদ, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারার ড. ডেভিড ডোল্যান্ড, ডাটা বার্ডের সিইও কাশেফ রহমান এবং বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার এবিএম মিসবাহ হামিদুল।

ফেস্টটির সবগুলো সেশনই সরাসরি প্রচারিত হয়েছে ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশসহ সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ফেসবুক পেজে।

লেখকের অনুমতি ছাড়া সাইটে ব্যবহৃত সকল প্রকার লেখা পুনঃপ্রকাশ বেআইনি। জরুরী যোগাযোগে ইমেইলঃ altamishnabil@gmail.com

আরো পড়ুন...