সিনেমা শুরুর গপ্প: লুমিয়ের বনাম এডিসন

১৮৯৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, ফ্রান্সের প্যারিস শহরের গ্র্যান্ড ক্যাফের বেইজমেন্টে ঘটলো এক ইতিহাস পরিবর্তনকারী ঘটনা। প্যারিস নগরবাসী সাক্ষী হলো এক ইতিহাসের,অনুষ্ঠিত হলো চলচ্চিত্র ইতিহাসের প্রথম পাবলিক স্ক্রিনিং। এই ঘটনার মাধ্যমেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান দুই ভাই অগুস্ত লুমিয়ের আর লুই লুমিয়ের।
লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় জন্মগ্রহণ করেন ফ্রান্সের বেজাংকোণ শহরে। দুই ভাইয়ের বয়সের ব্যবধান মাত্র দু’বছরের বিধায় জন্ম থেকেই তারা পিঠাপিঠি বড় হয়েছেন। বাবা আঁতোয়া লুমিয়ের তরুণ বয়স থেকেই চিত্রঅঙ্কনে দক্ষ ছিলেন। তবে জীবনের মধ্যপথে নিজেকে ছবি আঁকা থেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন যার কারণ পুরোটাই আর্থিক। কতকটা পেটের দায়েই তিনি যুক্ত হয়েছিলেন ফটোগ্রাফি সম্পর্কিত ব্যবসায় যা কিনা শাপে বর হয়েছে তার সন্তানদের মাধ্যমে। তারা পরিবার সমেত চলে আসেন ফ্রান্সের লিয়ঁ শহরে। আঁতোয়ার ফটোগ্রাফিক মালমসলা তৈরি এবং তা সরবরাহ করার ব্যবসায় বড় ছেলে অগুস্ত নিয়েছিলেন ম্যানেজার হিসেবে কারখানা দেখাশোনার যাবতীয় দায়িত্ব আর ছোটছেলে লুইয়ের সম্পূর্ণ মনোযোগ ছিলো পদার্থবিদ্যায়।

ওদিকে বৈদ্যুতিক বাতি, গ্রামোফোন আবিষ্কার করে দুনিয়া কাঁপানো মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী টমাস আলভা এডিসন এর অধীনে স্কটিশ তরুণ উইলিয়াম কেনেডি ডিকসন কাইনেটোস্কোপ আবিষ্কার করেন। এটি ছিল প্রথম সিনেমাটিক প্রজেক্টর। যদিও এর কাজ শুরু করেছিলেন এক ফরাসী শিল্পী ও আবিষ্কারক লুই লে প্রিন্স যদিও তার আশ্চর্যজনক নিখোঁজ হওয়া তাকে ইতিহাসের পাতায় স্থান দেয়নি। এই কাইনেটোস্কোপ আবিষ্কারের মূল কৃতিত্ব ডিকসনের হলেও পেটেন্ট করা হয় এডিসনের নামে। যন্ত্রের হাতল ঘুরিয়ে মানুষ প্রথমে দেখলো চলন্ত ছবি যাকে আজকের দিনে চলচ্চিত্র বলা হয়।

টমাস আলভা এডিসন

আবিষ্কৃত এই যন্ত্রের বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল।এর মাধ্যমে একসঙ্গে কেবলমাত্র একজন দর্শকই ছবি দেখতে পারতেন। আর এ চলমান ছবির দৈর্ঘ্য হতো সর্বোচ্চ ৫০ ফুট। এই যন্ত্র নিয়ে তারা বিভিন্ন দেশের শহরে ব্যবস্থা করতেন কাইনেটোস্কোপ প্রদর্শনীর। এমনি এক প্রদর্শনীতে ১৮৯৪ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এডিসন আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন চিত্রশিল্পী-ফটোগ্রাফার আঁতোয়া লুমিয়েরকে, এবং স্বভাবতই এই প্রযুক্তি আঁতোয়াকে মুগ্ধ করেছিলো।

কাইনেটোস্কোপ দর্শন অভিজ্ঞতার পর নিজ শহর লিয়ঁতে ফিরে এসে তার দুই সন্তান অগুস্ত আর লুইকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছিলেন। আর বলেছিলেন এরথেকে ভালো কিছু করার চেষ্টা করতে।তিনি দুই ভাইয়ের সঙ্গে আছেন। দুজনেও ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন কাজে। তবে কষ্টের সঙ্গে কেষ্ট মেলার ব্যাপারটিতো এত সহজ নয়। আবিষ্কার চেষ্টার একপর্যায়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম সত্ত্বেও সফল না হয়ে হতাশ হয়ে গেলেন লুই লুমিয়ের।একটানা কাজের ফলে অসুস্থ হয়ে কিছুদিন পুরোপুরি বিশ্রামে থাকলেন তিনি। বিশ্রামরত অবস্থায় কোন এক মাঝরাতে লুইয়ের মাথায় এক আইডিয়া চেপে বসলো।

অগুস্ত আর লুই লুমিয়ের

প্রাথমিকভাবে তাকে দেখা গেলো সেলাই মেশিনের প্রেসার পিন যেটি দিয়ে সেলাইয়ের সময় কাপড়কে চাপে আটকানো হয়, এমন একটি যন্ত্র বানিয়ে ক্যামেরার সাথে স্থাপন করতে। এরপর লুইয়ের দেওয়া তত্ত্ব অনুযায়ী তাদের কারখানার প্রধান প্রকৌশলী মইসন পরীক্ষামূলকভাবে যন্ত্রটি তৈরি করেন যার নাম দেয়া হয় সিনেমাটোগ্রাফ। সেই অনুযায়ী লুইকে সিনেমাটোগ্রাফের মূল স্বত্ত্বাধিকারী বলা গেলে যন্ত্রটির স্বত্ত্ব দুই ভাইয়ের নামেই হয়েছিলো। তবে বড় ভাই অগুস্তের ভূমিকাকেও ছোট করে দেখা উচিত নয়। তিনিও লুইয়ের বানানো চলমান চিত্রধারণ ও প্রদর্শনযন্ত্রের ব্যবহার উপযোগী করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন।

লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় তাদের প্রথম চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারন করেছিলেন ১৮৯৫ সালে আনুমানিক ১৯ মার্চ। ছবিটির নাম ওয়ার্কার্স লিভিং দ্য লুমিয়ের ফ্যাক্টরি যাতে দেখা যায় শ্রমিকেরা একটি ফ্যাক্টরির প্রধান ফটক থেকে কাজ শেষে বের হচ্ছে। মাত্র ৪৬ সেকেন্ডের ছবিটিতে যাদের দেখা গিয়েছিলো তার অধিকাংশই ছিলেন নারী শ্রমিক। তাদের কারখানা থেকে বের হওয়ার সময়ে কাউকেই ক্যামের লুক দিতে দেয়া যায়নি তাই এটি ধরেই নেয়া যায় তারা সবাই শ্যুটিং এর বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন। শ্রমিক ছাড়াও ছবিটির ফ্রেমে দেখা যায় একটি কুকুর, বাইসাইকেল এবং দুটো ঘোড়াকে। যেহেতু ওই মাসের সময়কালে ১৯ মার্চ ছাড়া প্রতিদিন বৃষ্টি হয়েছিলো তাই ধারণা করা হয় পৃথিবীর ইতিহাসে লুমিয়েরদের দ্বারা প্রথম ছবির শ্যুটিং হয়ছিলো ঐ দিনটিতেই। ১৮৯৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্যারিসের গ্র্যান্ড ক্যাফেতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মত দুই ভাই এক অনুষ্ঠানে তাদের নির্মিত দশটি চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী করেন। এটির পর প্যারিসের একটি প্রেক্ষাগৃহেও রাখা হয় নিয়মিত প্রদর্শনী। প্রথম কিছুদিন দর্শকদের কাছে এটি সাড়া না ফেললেও ধীরে ধীরে এর উন্মত্ততা ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। এর আগে অবশ্য ২২ মার্চেই প্যারিসের সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট অব ন্যাশনাল ইন্ড্রাষ্টিতে অনুষ্ঠিত হয় লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের কীর্তি প্রদর্শন, তবে সেটি অবশ্য জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিলোনা। পরবর্তীতে লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় একক শর্টের মোট হাজারের অধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তবে তার কোনটিরই দৈর্ঘ্য এক মিনিটের ঊর্ধ্বে নয়। তাদের ছবিগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

  • এ ট্রেন রিচেস দ্য স্টেশন
  • এ বোট লিভস্ দ্য হারভার
  • হর্স ট্রিকস্
  • রাইর্ডাস
  • বেবি অ্যাট ব্রেকফাস্ট টেবিল
  • ওয়াটারিং দ্য গার্ডের
  • জাম্পিং অন দ্য ব্লাংকেট
  • ফিশিং ফর গোল্ড ফিশ
  • ব্লাকস্মিথস্

লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের বুদ্ধিমত্তা ও ব্যবসায়ী মনোভাব প্রকাশ পায় যখন জানা যায় তারা প্রদর্শনী ও চিত্রধারনের জন্য আরও কয়েকটি ক্যামেরা ও প্রজেক্টর তৈরি করে রেখেছেন। এর সঙ্গে তারা প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করেন কিছু ক্যামেরাম্যান ও প্রোজেক্টর অপারেটর। এসব ট্রেনিকপ্রাপ্তরা সিনেমাটোগ্রাফ নামক ভেল্কি নিয়ে ছুটে যান পৃথিবীর নানা প্রান্তে, বিভিন্ন দেশে-দেশে। এরই এক পর্যায়ে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষে লুমিয়েরদের প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হয় বোম্বাই শহরে ১৮৯৬ সালের ৭ জুলাই। এরপর কলকাতায় ছবিগুলো প্রদর্শিত হয় ১৮৯৭ সালে। পাঠকরা জেনে আনন্দিত হবেন ঢাকাতেও অনুষ্ঠিত হয়েছিলো লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। কলকাতায় প্রদর্শনের পরের বছর ১৮৯৮ সালের ১৭ এপ্রিল বেডফোর্ড সিনেমাটোগ্রাফ কোম্পানি ঢাকার ক্রাউন থিয়েটারে প্রথম চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী করে লুমিয়ের কীর্তি।লুমিয়েররা দর্শককে ছবি দেখাতেন আর্ক- লাইট প্রজেক্টরে। প্রতি সেকেন্ডে ১৬ ফ্রেম করে ছবি পর্দায় পড়তো যা বর্তমানে সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ২৪ ফ্রেম। ফলে স্বভাবতই তাদের ছবিগুলো দেখলে মনে হত চরিত্ররা খুব দ্রুত ছুটোছুটি করছে। কথিত আছে তাদের এ ট্রেন রিচেস দ্য স্টেশন চলচ্চিত্রটি যখন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন হচ্ছিলো, প্রথমবার বড়পর্দায় সিনেমা দেখা দর্শকেরা হোলের সিট ছেড়ে পড়িমড়ি করে পালিয়েছিলো। তারা হয়তো ভাবছিলেন কি আপদ, হলের মধ্যে আস্ত ট্রেন ঢুকে গেলোনাতো!

এবারে আবারো এডিসনের কথায় আসি। ইতিহাসবিদ নীল গ্যাবলার এডিসন সম্পর্কে যে উক্তি করেছিলেন তা হলোঃ

চোখের ঘন ভ্রু, লম্বা পাতলা চুল আর আনন্দময় চেহারা দেখে টমাস আলভা এডিসনকে একজন গোবেচারা উদ্ভাবক মনে হতে পারে। কিন্তু তিনি ছিলেন একজন ঝানু ব্যবসায়ী এবং ভয়ংকর প্রতিদ্বন্দ্বী। যেকোনো আবিষ্কারের কৃতিত্ব নিজের উপর নিয়ে নিতেন, আবিষ্কারগুলো তাঁর হোক বা না হোক।

শৈশবে স্কুল থেকে বিতাড়িত গোবেচারা ছেলেটির নামে পৃথিবীতে একদিন হাজারের অধিক আবিষ্কারের মার্কিন পেটেন্টসহ যুক্তরাজ্যে, ফ্রান্স এবং জার্মানির পেটেন্ট থাকবে সেটা কেউই ভাবতে পারেনি। তার পেছনে অবশ্যই রয়েছে তপস্যা অধ্যাবসায়ের ইতিহাস। তবে চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তার অবদান ততটা গৌরবজ্জল নয় যতটা তার অন্যান্য আবিষ্কারে রয়েছে। যার শুরুটা কাইনেটোগ্রাফের পেটেন্ট-এ এর আসল আবিষ্কারক উইলিয়াম কেনেডি ডিকসন এর নাম বাদ দেয়া থেকে।

১৮৯৩ সালে আমেরিকায় এডিসন প্রতিষ্ঠা করেন সেদেশের প্রথম সিনেমা স্টুডিও ‘ব্ল্যাক মারিয়া’। আমেরিকায় চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হবার সময়ে মূলত স্বল্পদৈর্ঘ্যের নির্বাক চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতো যেখানে কপিরাইটের বালাই ছিলোনা। ফলে স্বভাবতই অবাধে চলতো পাইরেসি। এই পাইরেসির জন্য নির্বাচন করা হতো ফরাসী ও ইংল্যান্ডের সেরা সিনেমাগুলো। যে যার আগে পাইরেসি করতে পারতো তার ব্যবসাই তুঙ্গে থাকতো। টমাস এডিসনকেও শুরুর দিকে পাইরেসি করেছেন। তারপর নিজেই আবার লড়েছেন পেটেন্ট যুদ্ধে। এডিসনের স্টুডিও সফল হলেও সেটি ছিল দ্বিতীয় স্থানে। তার স্টুডিও থেকে তিনি নির্মান করেছেন ১২০০ এর মত চলচ্চিত্র যার মধ্যে অন্যতম দ্য কিস (১৮৯৬), দ্য গ্রেট ট্রেন রবারী (১৯০৩), অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (১৯১০), ফ্রাঙ্কেষ্টাইন (১৯১০)। 

এডিসনের মতে চলচ্চিত্র উন্নত হয়ে তার সময়ে যে অবস্থায় পৌঁছেছিলো তার থেকে আর উন্নত হওয়া সম্ভব নয়। তাইতো তিনি সিনেমার দিকে শেষদিকে ততটা মনোনিবেশ করেননি। তার কাছে সিনেমার চেয়ে এর পেটেন্ট ও কারগরী দিকই বেশী আকর্ষন করতো। চলচ্চিত্রে তার এই শিথিলতার সুযোগ নিয়ে তখনকার তরুণ ও উদ্যমীরা এগিয়ে নিয়ে যায় হলিউডকে।
চলচ্চিত্র মাধ্যমের বিভিন্ন পূর্বসূরীর মধ্যে আদিতম হলো গুহাচিত্র! খ্রীস্টপূর্ব ১৬৫০০ থেকে ১৪০০০ অব্দের মাঝামাঝি সময়ে আঁকা স্পেনের আলতামিরা গুহার ছাদে শিং উঁচিয়ে থাকা বাইসনের ছবির কথা অনেকেই শুনেছেন। এছাড়াও ছিল রেড ইন্ডিয়ানদের ধোঁয়া সঙ্কেত, হস্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে ছায়া তৈরী করে গল্প বলা শ্যাডোগ্রাফি, সপ্তদশ শতকে উদ্ভাবিত আধুনিক প্রজেক্টর বা অভিক্ষেপন যন্ত্রের পূর্বসূরী ম্যাজিক লণ্ঠন সহ নানা কিছু।

প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ দেখেছে জোট্রপ, ফিনেকিসটিসকোপ, স্ট্রবোস্কোপ ও এডিসনের কাইনেটোগ্রাফ। কিন্তু চলচ্চিত্র মানেই বড়পর্দা, সবাই মিলে প্রেক্ষাগৃহে একসঙ্গে পর্দার আবেগ অনুভূতিকে নিজের করে নেয়া। যেটির আসল স্বাদ এসেছিলো সিনেমাটোগ্রাফের মাধ্যমে। তাইতো এর স্রষ্টা লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় ইতিহাসের পাতায় চির অম্লান। শুধু দুই ভাই নয়, লেখাটির শেষ প্রান্তে এসে অবশ্যভাবে স্মরণ করতে চায় তাদের বাবা আঁতোয়া লুমিয়েরকে। সন্তানদের চলচ্চিত্র নিয়ে সাফল্য ও অর্থনৈতিক সুদিন তাকে আবারো পুরোদস্তুর চিত্রশিল্পী বানিয়েছিল। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত আঁতোয়া নিমগ্ন থাকতেন ছবি আঁকায়। চলচ্চিত্র ব্যবসায় ভবিষ্যৎ না দেখে লুমিয়েররা ১৯০৫ সালে চলচ্চিত্র ব্যবসা থেকে বিদায় নেন। আর দুনিয়া কাঁপানো লুই পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেন ১৯৪৮ সালে, আর অগুস্ত ১৯৫৪ সালে। তবে ততদিনে বিশ্ববাসী মজেছে বড়পর্দার সিনেমায়।

লেখাটি ভোরের কাগজে পূর্বপ্রকাশিত

লেখকের অনুমতি ছাড়া সাইটে ব্যবহৃত সকল প্রকার লেখা পুনঃপ্রকাশ বেআইনি। জরুরী যোগাযোগে ইমেইলঃ altamishnabil@gmail.com

আরো পড়ুন...